হবিগঞ্জের বাহুবলে পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্য মিশ্রণ এবং নকল পণ্য সরবরাহের দায়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মীরপুর বাজারে র্যাব-৯ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এসব জরিমানা করা হয়।
র্যাব-৯, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জ এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, হবিগঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুপুর সাড়ে ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মীরপুর বাজারে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪৩ ও ৪৫ ধারায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—আলী এন্টারপ্রাইজের মালিককে ১০ হাজার টাকা, যমুনা রেস্টুরেন্টের মালিককে ১০ হাজার টাকা, চামেলী ভেরাইটিজ স্টোরের মালিককে ৬ হাজার টাকা, মায়ের দোয়া ফল ভাণ্ডারের মালিককে ২ হাজার টাকা এবং বনফুল অ্যান্ড কোং-এর মালিককে ১০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানায়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণ, খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্যের মিশ্রণ, পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা কিংবা ভোক্তাকে প্রতিশ্রুত ওজনের চেয়ে কম পণ্য দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ড আইনত দণ্ডনীয়।
এ তথ্যট নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান,আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ ও এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
র্যাব-৯ আরও জানায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সিলেট থেকে আরো পড়ুন