সিলেট

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর ঢাকা-সিলেট  ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

নতুন সিলেট ডেস্ক :

নতুন সিলেট ডেস্ক :

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ১৬:২০

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর ঢাকা-সিলেট  ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

ছবি সংগৃহীত :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়ন থেকে ছয়টি গ্রাম বিচ্ছিন্ন করে নতুন ইউনিয়ন গঠনের প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অবরোধ প্রত্যাহারের পর প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

একই সঙ্গে সুলতানপুর-চিনাইর-আখাউড়া-আগরতলা সড়কেও যান চলাচল শুরু হয়েছে। এতে ভারতগামী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের পথও সচল হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার তিতাস সেতু ও কোড্ডা কেবিন এলাকায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন ছয় গ্রামের বাসিন্দারা। অবরোধের কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ দুটি রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতকারী যাত্রীবাহী ট্রেন আটকে পড়ে।

এতে পারাবত, পর্যটক এক্সপ্রেস, মহানগর, সুবর্ণ এক্সপ্রেস ও উপকূল এক্সপ্রেসসহ বেশ কয়েকটি ট্রেনের চলাচল ব্যাহত হয়। পরে সকাল সোয়া ১১টার দিকে অবরোধকারীরা সড়ক ও রেলপথ থেকে সরে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

স্থানীয়দের দাবি, চলতি বছরের মে মাসে বাসুদেব ইউনিয়ন থেকে ছয়টি গ্রাম নিয়ে বরিশল নামে নতুন একটি ইউনিয়ন গঠন করা হয়। গ্রামগুলো হলো কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ী, চান্দি ও বরিশল। নতুন ইউনিয়নটিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার পরিবর্তে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে গত ৪ জুন সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা নতুন ইউনিয়ন গঠনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ছয়টি গ্রামকে আগের মতো বাসুদেব ইউনিয়নে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন। দাবি পূরণ না হলে প্রতিদিন একই কর্মসূচি পালনেরও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আলোচনার পর তারা অবরোধ তুলে নিয়েছেন।

সিলেট থেকে আরো পড়ুন