সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ঢাকায় মৃত্যুবরণকারী ভারতীয় নাগরিক অঞ্জনা ভৌমিকের (৫৬) মরদেহ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে এই মরদেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
পারিবারিক ও ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অঞ্জনা ভৌমিক ভারতের আগরতলা থেকে বিমানযোগে কলকাতার উদ্দেশ্যে চিকিৎসার জন্য রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু যাত্রাপথে মাঝআকাশে বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি (দরজায় ত্রুটি) দেখা দিলে ফ্লাইটটি জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটি অবতরণের পর অঞ্জনা ভৌমিকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে দ্রুত ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শেষে আজ অঞ্জনা ভৌমিকের মরদেহ তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তি এবং তাঁর সাথে থাকা নিকটাত্মীয়দের কাছে কোনো পাসপোর্ট না থাকায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন বিশেষ বিবেচনায় তাদের জন্য 'ট্রাভেল পারমিট' (ভ্রমণ অনুমতিপত্র) প্রদান করে।
বূধবার দুপুরে তামাবিল সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং নিহতের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। মরদেহ হস্তান্তরের পর নিহতের স্বজনরা বিএসএফের সহযোগিতায় ভারতের অভ্যন্তরে রওনা হন।
সিলেট থেকে আরো পড়ুন