যুবদল নেতা ফকির জহিরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা ফকির জহিরুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
ঘটনার তিনদিন পর শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিহতের ভাগ্নে ইসমাঈল হোসেন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামলা করেছেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল বারিক।
মামলায় আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রিজভীকে প্রধান আসামি করে ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।।
নিহত ফকির জহিরুল ইসলাম (৪৮) আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। তিনি ওই ইউনিয়নের খালিয়ারচর গ্রামের মোহাম্মদ আব্দুর রহমান বেপারীর ছেলে।
মামলার এজাহার ও বাদীর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছিলেন জহিরুল ইসলাম। প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য আসামিরা বিভিন্ন সময়ে তাকে হুমকি দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের ভাগিনা।
বাদীর অভিযোগ, বুধবার রাতে ওষুধের ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় হামলার শিকার হন জহিরুল ইসলাম। এ সময় কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিজভীর নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার পথরোধ করে। পরে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল বারিক জানান, যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
রাজনীতি থেকে আরো পড়ুন