ছবি সংগৃহীত :
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরাবরের মতো এবারও মাজারের বিভিন্ন দানবাক্স ও ডেকচিতে দেশি টাকার পাশাপাশি বিদেশি মুদ্রা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত চিঠিও পাওয়া গেছে।
এদিকে, মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটির গত ২৩ সেপ্টেম্বরের সভায় দানের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংগৃহীত অর্থের ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হবে। বাকি ৬৫ শতাংশ অন্যান্য ব্যয় নির্বাহে ব্যবহার করা হবে।
উল্লেখ্য, এ কমিটির সভাপতি বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সিলেট থেকে আরো পড়ুন