সিলেট

হবিগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১,আহত ২

নতুন সিলেট প্রতিবেদক:

নতুন সিলেট প্রতিবেদক:

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:১৩

হবিগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১,আহত ২

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে চা বাগান থেকে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ফাহিম চৌধুরী (২০) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় তার দুই বন্ধু মাহি (১৯) ও শুভ (২২) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
 
রোববার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর এলাকায় আমুরোড-আমু চা বাগান সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ফাহিম উপজেলার বিলপাড় গ্রামের রাসেল মিয়ার ছেলে। আহত মাহির বাড়ি দুধপাতিল গ্রামে এবং শুভর বাড়ি বিলপাড় গ্রামে।
 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে তিন বন্ধু মিলে আমু চা বাগানে ঘুরতে যান। পরে রাত ১২টার দিকে একই মোটরসাইকেলে চড়ে আসামপাড়ার দিকে ফিরছিলেন তাঁরা। পথে ঘনশ্যামপুর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে তিনজনই মারাত্মক আহত হন।
 
পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহিমকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত মাহি ও শুভকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
 
এদিকে চা বাগান ও সীমান্ত এলাকার সড়কে গভীর রাতে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, গভীর রাত পর্যন্ত এসব সড়কে একশ্রেণীর তরুণকে দ্রুতগতিতে হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যায়, যার ফলে প্রায়ই ঘটছে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।
 
ঘনশ্যামপুর এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, রাতের বেলায় চা বাগান ও সীমান্ত এলাকার সড়কগুলোতে পুলিশের নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলও দুর্ঘটনা রোধে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পুলিশের টহল ও তল্লাশি জোরদার এবং ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ তথ্য সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত অপর দুই বন্ধু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সিলেট থেকে আরো পড়ুন