বাংলাদেশ

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু

নতুন সিলেট ডেস্ক:

নতুন সিলেট ডেস্ক:

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:৪৭

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু

ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নবনির্মিত আন্তর্জাতিক টার্মিনালে আজ থেকে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে। 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে প্রায় ১৮ হাজার বর্গমিটারের আধুনিক এই টার্মিনাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়।

বিমানবন্দরটির আধুনিকায়নে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে কক্সবাজার ভ্রমণে আসা পর্যটকদের মাঝে।

যাত্রীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, নতুন হিসেবে এটি খারাপ নয়, বরং বেশ ভালো লাগছে। আগের তুলনায় এখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অনেক বেশি। আমাদের হয়রানিও কম হয়েছে। খুব সহজেই লাগেজগুলো পেয়ে গেছি। কক্সবাজারের মতো একটি জায়গায় আসলে আমাদের এমন একটি পরিবেশেরই প্রয়োজন ছিল। যখন ফ্রেশ রুমে যাচ্ছিলাম কিংবা বসছিলাম, তখন সত্যিই দারুণ লাগছিল। এটি নিঃসন্দেহে একটি দারুণ আয়োজন।

দেশীয় বিমান সংস্থাগুলোর দাবি, দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ এই টার্মিনালে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন দেশি-বিদেশি পর্যটকরা।

নবনির্মিত টার্মিনাল ভবন প্রসঙ্গে ইউএস-বাংলার স্টেশন ম্যানেজার মোসা আহমেদ বলেন, আমাদের প্রস্থান হলটি বেশ প্রশস্ত, আগমন হলটিও প্রশস্ত। পাশাপাশি, বোর্ডিং লাউঞ্জটিও অনেক বড় ও সুন্দর। সব মিলিয়ে এখানে আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। যাত্রীদের জন্য প্রায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাই এখানে রাখা হয়েছে।

নভোএয়ারের স্টেশন ম্যানেজার সারওয়ার উল কাদের বলেন, এখানে ব্যাগেজ বেল্টের সুবিধা রয়েছে। পুরো এলাকাটিও অনেক বড় ও প্রশস্ত। আগে যেভাবে যাত্রীদের গাদাগাদি করে থাকতে হতো, সেই পরিস্থিতি থেকে আমরা এখন পরিত্রাণ পেয়েছি।

বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচক বলছে, যাত্রী হয়রানি রোধে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে দেশের চতুর্থ এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।

নিরাপত্তার বিষয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সুপারভাইজার মো. সাইফুল্লাহ বলেন, এখানে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি নিরাপত্তা বিভাগে বিমানবাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন। এ ছাড়া বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বিভাগও শক্তিশালীভাবে দায়িত্ব পালন করছে। পুলিশের এপিবিএন সদস্যরাও এখানে রয়েছেন। এ ছাড়া আরও বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা কাজ করছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১৬টি বিভাগ বা সংস্থা এখানে একযোগে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবরে এই টার্মিনাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করার কথা থাকলেও আজ থেকে এখান থেকেই সব ধরনের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। তবে অক্টোবর থেকে পর্যটন নগরীর এই রানওয়েতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ওঠানামা করার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন