পর্যটন

অবশেষে দৃশ্যমান ঝুলন্ত সেতু, স্বস্তি ফিরল পর্যটন খাত

নতুন সিলেট ডেস্ক :

নতুন সিলেট ডেস্ক :

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৫৩

অবশেষে দৃশ্যমান ঝুলন্ত সেতু, স্বস্তি ফিরল পর্যটন খাত

ছবি সংগৃহীত :

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি কমায় ১ মাস ২ দিন পর ভেসে উঠলো ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ দৃষ্টিনন্দন রাঙামাটির সিম্বল খ্যাত ঝুলন্ত সেতু।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে সেতুটি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে পর্যটন কর্পোরেশন।

গেল ১১ সেপ্টেম্বর পানিতে তলিয়ে যায় সেতুটি। নিরাপত্তার কারণে ওই দিনই বন্ধ করা হয় পর্যটকদের প্রবেশ।

এ মৌসুমে সেতু ডুবে যাওয়ার দ্বিতীয় ঘটনা এটি। সেতু ডুবে যাওয়ার ঘটনা নতুন নয়।

প্রতিবছর বর্ষায় হ্রদের পানি বাড়লেই তলিয়ে যায় আকর্ষণীয় ঝুলন্ত সেতুটি।
চলতি মৌসুমে প্রথম দফায় ২৯ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে থাকে এই সেতু।

এর আগে গত বছরের ২৩ অক্টোবর ৮৫ দিন পরে ভেসে উঠে এই ঝুলন্ত সেতু। এতে পর্যটন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি লোকসানে পড়েন সংশ্লিষ্টরা। 
সর্বশেষ ১২ অক্টোবর বিকেল থেকে পানি সরতে শুরু করলে সংস্কার শেষে তুলে নেওয়া হয় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা। জেলার সবচেয়ে জনপ্রিয় এই পর্যটন স্থাপনা পুনরায় দৃশ্যমান হওয়ায় উচ্ছ্বসিত দেশের দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসা ভ্রমণপিপাসু পর্যটকরাও।

ঝুলন্ত সেতুর নৌ ঘাটের টোল আদায়কারী ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘একমাসের বেশি সময় ডুবে থাকার পরে সেতু ভেসে উঠেছে। এরইমধ্যে সেতুর সংস্কার কাজ শেষে পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত করে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, পূজার ছুটি আর পর্যটন মৌসুমে প্রচুর পর্যটক ভ্রমণে আসবেন।’

ঝুলন্ত সেতু টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার হাসান আহমেদ সোহেল বলেন, ভ্রমণ নিষিদ্ধ দিনগুলোতে সরকার  রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে। সেতু বন্ধ থাকলে রাঙামাটির পুরো পর্যটন খাতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

দৃষ্টিনন্দন এ ঝুলন্ত সেতুটিতে বছরে  কয়েক লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটে। অথচ প্রতি বর্ষায় পানির নিচে হারিয়ে যায় এই আকর্ষণ। একসঙ্গে বিরূপ প্রভাব পড়ে পর্যটন খাতে। তাই বারবার সাময়িকভাবে খুলে দেওয়ার বদলে পানির উচ্চতা বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সমাধানের দাবি পর্যটনসংশ্লিষ্টদের।

রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ম্যানেজার আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, পানি সরে যাওয়ায় পর্যটকরা আগের ন্যায় উপভোগ করতে পারবেন। আশাকরছি পূজার ছুটিতে ভাল পর্যটক আসবে।

পর্যটন থেকে আরো পড়ুন