বিশেষ প্রতিবেদন

সুনামগঞ্জে ভাঙা সেতুতে ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচল

বিশেষ প্রতিবেদন :

বিশেষ প্রতিবেদন :

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:০৭

সুনামগঞ্জে ভাঙা সেতুতে ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচল

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের কার্তিকপুর গ্রামের সামনের সড়কে একটি সেতুর অংশ ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের ভেতর থেকে বেরিয়ে আছে লোহার রড। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা সেতুটির ওপর দিয়েই প্রতিদিন ইজিবাইক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুটির একাংশের কংক্রিট ভেঙে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। গর্তের ভেতর থাকা লোহার রড বেরিয়ে রয়েছে। এ ছাড়া সেতুর পাশের মাটিও সরে গেছে। ভাঙা অংশের ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে। প্রতিদিন এ পথে চলাচলকারী চালক ও যাত্রীরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

 

 

স্থানীয়রা জানান, বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের কার্তিকপুর গ্রামের সামনের সড়কটি সুনামগঞ্জের মধ্যনগর ও নেত্রকোনা জেলার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। প্রতিদিন এ পথে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চলাচল করে। বর্ষাকালে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা সীমিত থাকায় স্থানীয় মানুষের যাতায়াতে সড়কটির গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির ভাঙা অংশ সংস্কার না করায় ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। বর্ষার পানি ও পাহাড়ি ঢলে সেতুর নিচের মাটি আরও সরে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। সেতুটির ভাঙা অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে দুই জেলার মানুষের যোগাযোগও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান  রহমান বলেন, ‘‘সেতুটির ভাঙা অংশ দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বর্ষার পানি ও পাহাড়ি ঢলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’’

বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরনবী তালুকদার বলেন, ‘‘সেতুটির বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। জনগণের চলাচলের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’’

মধ্যনগর উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন  বলেন, ‘‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। শিগগিরই সেতুটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন থেকে আরো পড়ুন