বাংলাদেশ

নিখোঁজের ৭দিন পর  শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

নতুন সিলেট ডেস্ক:

নতুন সিলেট ডেস্ক:

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:০৯

নিখোঁজের ৭দিন পর  শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

পাবনা সদর উপজেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামে শিশুটির বাড়ির পাশের একটি ডোবায় বস্তাবন্দি মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত মোছা. কামরুন্নাহার কলি (১০) পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী কুলোনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে।

‎পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে যায় কলি। বাজার শেষে বাবার সঙ্গে বাড়িতে ফিরে বাজারের ব্যাগ মায়ের হাতে দিয়ে বাড়ির পাশে গিয়েছিল সে। পরে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে শিশুটির পরিহিত স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে শিশুটির বাবা পাবনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

‎নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান চেয়ে প্রচার চালানো হয়। সাড়া না পেয়ে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পাবনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন স্বজন ও সহপাঠীরা।

‎এর একদিন পর আজ সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

‎শিশুটির বাবা কামাল প্রামাণিক বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকেই আমরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেছি। কিন্তু পাইনি।

তিনি আরও বলেন, আমার মেয়েকে কারা হত্যা করেছে, কারা আমাদের এত বড় সর্বনাশ করল—তা জানতে চাই। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ফাঁসি দাবি করছি।

এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কীভাবে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আশা করছি খুব শিগগিরিই হত্যার রহস্য ও কারা জড়িত তা উদঘাটন করা সম্ভব হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন