আন্তর্জাতিক

তারেক রহমান ভারতে না এলে যোগাযোগের পথ বন্ধ হতে পারে: সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৪১

তারেক রহমান ভারতে না এলে যোগাযোগের পথ বন্ধ হতে পারে: সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন সাবেক প্রবীণ ভারতীয় কূটনীতিক বিদ্যাভূষণ সোনি। তিনি মনে করেন, তারেক রহমান ভারত সফর না করলে এই যোগাযোগের পথ দীর্ঘ সময়ের জন্য রুদ্ধ হয়ে যেতে পারে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যাভূষণ সোনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তার কাছে তুলনামূলকভাবে ‘অনেক বেশি খোলামেলা’ মনে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান ভারতবিরোধী নন এবং তিনি ভারতের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্যও দেননি।’

প্রবীণ এই কূটনীতিকের মতে, এই সফরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গতি বাড়ার পাশাপাশি তিস্তা নদীর পানি বণ্টন এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানের পথ সুগম হতে পারে। বিশেষ করে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর ভারতের প্রভাব কাজে লাগিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অগ্রগতি সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য এই দিল্লি সফর নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে সফরের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে অস্বস্তি তৈরি হয়। বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠালেও ভারত সরকার ওই অনুষ্ঠানটির বিষয়ে নিজেদের দূরত্ব বজায় রাখার কথা জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেছেন, একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানের বক্তব্যের সঙ্গে মোদি সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।

কূটনৈতিক বিশৃঙ্খলা এড়িয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে আলোচনার সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয় জানিয়ে বিদ্যাভূষণ সোনি বলেন, দুই পক্ষই এখন সতর্কভাবে পথ চলছে। সফরটি অনুষ্ঠিত হলে তা উভয় দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা বহন করবে।

আন্তর্জাতিক থেকে আরো পড়ুন