রাজনীতি

চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার বিএনপির ২ নেতাকে শোকজ

নতুন সিলেট ডেস্ক:

নতুন সিলেট ডেস্ক:

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬ ১৬:৫৪

চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার বিএনপির ২ নেতাকে শোকজ

ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় চাঁদাবাজি ও মারামারির পৃথক দুই মামলায় গ্রেফতারের পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজাদ হোসেন এবং উল্লাপাড়া পৌর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি নোটিশে তাদের আগামী তিন দিনের মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ গণমাধ্যমকে বলেন, চাঁদাবাজি ও মারামারির মামলায় বিএনপির দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের ব্যাখা সন্তোষজনক না হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

নোটিশে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং উল্লাপাড়া থানা কম্পাউন্ডে এক বিএনপি নেতাকে মারধরের অভিযোগে আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে পৃথক আরেকটি মামলাও রয়েছে। এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

একই ধরনের পৃথক নোটিশে উল্লাপাড়া পৌর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও থানা কম্পাউন্ডে মারধরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার বিষয়টি উল্লেখ করে তিন দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর অনুমোদনক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার (২৭ জুলাই) উল্লাপাড়া মডেল থানা পুলিশ মারামারি ও চাঁদাবাজির পৃথক দুই মামলায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজাদ হোসেনসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের সবারই মঙ্গলবার সকালে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।

গ্রেফতারের পর জেলা বিএনপির এই শোকজ নোটিশকে ঘিরে উল্লাপাড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব পাওয়ার পর সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রাজনীতি থেকে আরো পড়ুন