ছবি: সংগৃহীত
প্রযুক্তি আর বিলাসিতার মেলবন্ধনে নতুন চমক দেখাল বিলাসবহুল পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্যাভিয়ার। অ্যাপলের ভাঁজযোগ্য আইফোনের বিশেষ সংস্করণ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যার সর্বোচ্চ দাম ২১ হাজার ৩৪০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২৬ লাখ টাকা। স্টার্লিং সিলভারে তৈরি আয়নার মতো ঝকঝকে এই ফোনের মাত্র ১৭টি ইউনিট তৈরি করা হয়েছে।
ক্যাভিয়ারের বিশেষ সংস্করণটির বাইরের অংশে ব্যবহার করা হয়েছে স্টার্লিং সিলভার, সঙ্গে রয়েছে আয়নার মতো চকচকে পলিশ। ফোন ভাঁজ করা ও খোলার সময় এর আকৃতির পরিবর্তন থেকে নকশার অনুপ্রেরণা নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রবহমান ধাতব রেখার নান্দনিক ব্যবহারে ফোনটিকে দেওয়া হয়েছে ভাস্কর্যের মতো অনন্য রূপ।
ফোনটির ধারণক্ষমতাভেদে দামেও রয়েছে পার্থক্য। ২৫৬ জিবি সংস্করণের দাম ১৮ হাজার ৮৪০ ডলার, ৫১২ জিবির দাম ১৯ হাজার ২০০ ডলার, ১ টেরাবাইটের দাম ১৯ হাজার ৯১০ ডলার এবং ২ টেরাবাইট সংস্করণের দাম ২১ হাজার ৩৪০ ডলার।
শুধু ভাঁজযোগ্য আইফোন নয়, আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সেরও বিশেষ বিলাসবহুল সংস্করণ এনেছে ক্যাভিয়ার। প্রতিষ্ঠানটির তৈরি ৭৬টি বিশেষ সংস্করণের দাম ৭ হাজার ১৩০ ডলার থেকে শুরু করে ৮৮ হাজার ২৯০ ডলার পর্যন্ত। এর মধ্যে ‘পালমেট ১৮কে’ মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে ১৮ ক্যারেট সোনা ও হাতে বসানো শতাধিক হীরা। এমনকি অ্যাপলের লোগোতেও রয়েছে মূল্যবান পাথরের ব্যবহার।
বিলাসবহুল স্মার্টফোন তৈরিতে ক্যাভিয়ারের এমন আয়োজন অবশ্য নতুন নয়। এর আগে আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সের একটি বিশেষ সংস্করণে অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের বিখ্যাত কালো টার্টলনেক পোশাকের এক টুকরা কাপড় ব্যবহার করেছিল প্রতিষ্ঠানটি।
সব মিলিয়ে, ক্যাভিয়ারের বিশেষ সংস্করণের আইফোনগুলো প্রযুক্তিপণ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে পরিণত হয়েছে বিলাসবহুল সংগ্রহের সামগ্রীতে। তবে এসব ফোনের উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে থাকলেও সংগ্রাহক ও বিলাসবহুল পণ্যের ক্রেতাদের কাছে এগুলো বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করতে পারে।
তথ্য প্রযুক্তি থেকে আরো পড়ুন