ফাইল ফটো
জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বিশ্ববাজারে পরিশোধিত জ্বালানি ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত। দেশটিতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সাতটি মেগা তেল শোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এসব প্রকল্পে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৬ লাখ ৮০ হাজার কোটি রুপির বেশি।
অন্ধ্রপ্রদেশ, রাজস্থান, ওড়িশা, আসাম, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে বা পরিকল্পনাধীন রয়েছে।
প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে ভারতের তেল পরিশোধন ও পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিল্পের বিকাশেও ভূমিকা রাখবে।
ভারতের জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তেল পরিশোধন, পেট্রোকেমিক্যাল ও গ্রিন হাইড্রোজেন খাতে দ্রুত পরিবর্তন আসছে। ২০২৫ সালে দেশটিতে রেকর্ড ৪৪ দশমিক ৫ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা যুক্ত হয়েছে।
এতে মোট স্থাপিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা ২৫৪ গিগাওয়াট ছাড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৩ শতাংশের বেশি।
২০৩০ সালের মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানিবিহীন উৎস থেকে ৫০০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ভারতের। এ লক্ষ্য সামনে রেখে জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়ানো, আমদানি ব্যয় কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
১. অন্ধ্রপ্রদেশ গ্রিনফিল্ড তেল শোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স
ভারতের সবচেয়ে বড় আসন্ন সরকারি জ্বালানি প্রকল্পটি অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর জেলার রামায়াপত্তনমে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভারত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন লিমিটেড (বিপিসিএল) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এতে বিনিয়োগের পরিমাণ ১ লাখ ৩ হাজার কোটি রুপি। ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় বছরে ১ কোটি ২০ লাখ টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতাসম্পন্ন শোধনাগার নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি থাকবে বছরে ১৫ লাখ টন ইথিলিন উৎপাদনক্ষমতার ক্র্যাকার ইউনিট এবং সমন্বিত পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স। প্রতিদিন গড়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করা যাবে।
প্রায় ৬ হাজার একর জমিতে নির্মিতব্য এই কমপ্লেক্সে পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি, উড়োজাহাজের জ্বালানি এবং প্লাস্টিক, বস্ত্র ও প্যাকেজিং শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদন করা হবে।
রামায়াপত্তনম বন্দরের কাছাকাছি হওয়ায় প্রকল্পটি ভারতের পূর্ব উপকূল দিয়ে অপরিশোধিত তেল আমদানি ও জ্বালানি রপ্তানিতে সহায়ক হবে। নির্মাণকাজে ৩ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পরোক্ষভাবে আরও কয়েক হাজার মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হবে।
প্রকল্পের বিনিয়োগ ১ লাখ ৩ হাজার কোটি রুপি। জমির পরিমাণ ৬ হাজার একর। শোধনাগারের সক্ষমতা বছরে ১ কোটি ২০ লাখ টন এবং ইথিলিন ক্র্যাকার ইউনিটের সক্ষমতা বছরে ১৫ লাখ টন। ২০২৯-৩০ সালে প্রকল্পটি চালুর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
২. এইচপিসিএল রাজস্থান রিফাইনারি লিমিটেড (এইচআরআরএল)
ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম সরকারি উদ্যোগের জ্বালানি প্রকল্পটি রাজস্থানের বারমের জেলার পাচপদ্রায় অবস্থিত। এইচপিসিএল রাজস্থান রিফাইনারি লিমিটেডের (এইচআরআরএল) প্রকল্পটিতে সংশোধিত বিনিয়োগের পরিমাণ ৭৯ হাজার ৪৫৯ কোটি রুপি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর প্রত্যাশা ছিল।
সমন্বিত এই প্রকল্পে বছরে ৯০ লাখ টন তেল পরিশোধন ক্ষমতার শোধনাগার এবং ২৪ লাখ টন পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদনক্ষমতার কারখানা রয়েছে। প্রতিদিন ১ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করা যাবে।
প্রায় ৪ হাজার ৮০০ একর জমিতে নির্মিত প্রকল্পটিতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৪৩ হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করেছেন। চালু হলে পেট্রল, ডিজেল, এলপিজি, উড়োজাহাজের জ্বালানি, পলিপ্রোপিলিনসহ বিভিন্ন পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য উৎপাদন করা হবে।
প্রকল্পটি ভারতের জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি বারমেরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্রে পরিণত করতে সহায়তা করবে।
৩. মধ্যপ্রদেশের বিনা রিফাইনারি সম্প্রসারণ প্রকল্প
ভারতের অন্যতম বড় পেট্রোকেমিক্যাল বিনিয়োগ প্রকল্প এটি। মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার বিনায় অবস্থিত বিপিসিএলের এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৯ হাজার কোটি রুপি। ২০২৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।
বিদ্যমান বিনা তেল শোধনাগারকে কেন্দ্র করে সমন্বিত তেল পরিশোধন ও পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বছরে ১২ লাখ টন ইথিলিন উৎপাদনক্ষমতার ক্র্যাকার ইউনিট নির্মাণ করা হবে। এর সঙ্গে থাকবে বিভিন্ন পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদন কারখানা।
শোধনাগারের সক্ষমতা বছরে ৭৮ লাখ টন থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি ১০ লাখ টন করা হবে। উৎপাদিত পণ্য প্লাস্টিক, প্যাকেজিং, বস্ত্র, ওষুধ ও ভোগ্যপণ্য শিল্পে ব্যবহৃত হবে।
নির্মাণ ও পরিচালন পর্যায়ে প্রকল্পটি হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য আমদানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কমাতে এবং মধ্যাঞ্চলে শিল্পের বিকাশে ভূমিকা রাখবে।
৪. আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি সম্প্রসারণ প্রকল্প
উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম বড় জ্বালানি প্রকল্প এটি। আসামের গোলাঘাট জেলার নুমালিগড়ে অবস্থিত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল)। এতে বিনিয়োগের পরিমাণ ২৮ হাজার ২৬ কোটি রুপি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকল্পটি চালুর লক্ষ্যমাত্রা ছিল।
প্রকল্পের আওতায় শোধনাগারের বার্ষিক সক্ষমতা ৩০ লাখ টন থেকে বাড়িয়ে ৯০ লাখ টন করা হচ্ছে। অর্থাৎ সক্ষমতা তিন গুণ বাড়বে।
এ ছাড়া প্যারাদ্বীপ থেকে নুমালিগড় পর্যন্ত ১ হাজার ৬৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ অপরিশোধিত তেল পরিবহন পাইপলাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শোধনাগারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
প্রকল্পটি চালু হলে স্থানীয় বাজারে পেট্রোল, ডিজেল, উড়োজাহাজের জ্বালানিসহ বিভিন্ন পেট্রোলিয়াম পণ্য সরবরাহ করা যাবে। একই সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতে শিল্পের বিকাশ, জ্বালানি অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে।
৫. ওড়িশার প্যারাদ্বীপ সমন্বিত তেল শোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স
ভারতীয় তেল করপোরেশনের (আইওসিএল) বড় জ্বালানি বিনিয়োগগুলোর একটি এই প্রকল্প। ওড়িশার জগৎসিংহপুর জেলার প্যারাদ্বীপে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে অনুমোদিত বিনিয়োগের পরিমাণ ৬১ হাজার ৭৭ কোটি রুপি।
২০২৫ সালে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটি প্যারাদ্বীপে বিদ্যমান বছরে ১ কোটি ৫০ লাখ টন সক্ষমতার তেল শোধনাগারের সঙ্গে সমন্বিতভাবে গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে ভারতের পূর্ব উপকূলে বড় একটি তেল পরিশোধন ও পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স তৈরি হবে।
প্রকল্পের প্রধান অংশ হিসেবে বছরে ১৫ লাখ টন সক্ষমতার ডুয়াল-ফিড ক্র্যাকার ইউনিট এবং কয়েকটি পরবর্তী ধাপের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা নির্মাণ করা হবে। পুরো কমপ্লেক্স থেকে বছরে ৪০ লাখ টনের বেশি পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হবে।
এসব পণ্য প্লাস্টিক, প্যাকেজিং, বস্ত্র, ওষুধ ও গাড়ির যন্ত্রাংশ উৎপাদনে ব্যবহৃত হবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে ভারতের পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতা কমবে।
এ প্রকল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৬৭ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিল্পের বিকাশ ঘটবে। উপকূলীয় এলাকায় বন্দরের কৌশলগত অবস্থান অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রপ্তানি বাড়াতে সহায়তা করবে।
৬. মহারাষ্ট্রের রত্নগিরি রিফাইনারি ও পেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প
ভারতের প্রস্তাবিত বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় জ্বালানি প্রকল্প এটি। মহারাষ্ট্রের কোঙ্কন উপকূলের রত্নগিরিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ৩ লাখ কোটি রুপি বা ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
ভারতীয় তেল কোম্পানি ও বিদেশি অংশীদারদের একটি কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে ওয়েস্ট কোস্ট রিফাইনারি নামে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নির্মিত হলে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে পরিণত হবে।
প্রকল্পটির পরিকল্পিত বার্ষিক তেল পরিশোধন সক্ষমতা ৬ কোটি টন। এতে প্রতিদিন প্রায় ১২ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব হবে।
জ্বালানি পণ্যের পাশাপাশি সমন্বিত পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে উচ্চমূল্যের রাসায়নিক ও কাঁচামাল উৎপাদন করা হবে। এসব পণ্য প্লাস্টিক, বস্ত্র, প্যাকেজিং ও শিল্প উৎপাদনে ব্যবহৃত হবে।
তবে জমি অধিগ্রহণ ও পরিবেশগত সমস্যার কারণে প্রকল্পটি বিলম্বিত হয়েছে। এখনো এটি পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে। তারপরও ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা ও পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পের বিকাশে প্রকল্পটিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
৭. গুজরাটের জামনগরে রিলায়েন্সের তেল শোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল সম্প্রসারণ
ভারতের বেসরকারি খাতের অন্যতম বড় জ্বালানি প্রকল্প এটি। গুজরাটের জামনগরে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের এই সম্প্রসারণ প্রকল্পে আনুমানিক বিনিয়োগ ৭৫ হাজার কোটি রুপি।
বিশ্বের বৃহত্তম তেল পরিশোধন কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত জামনগর স্থাপনার বিদ্যমান সক্ষমতা বছরে ৬ কোটি ৮২ লাখ টন। এতে প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করা যায়।
সম্প্রসারণ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদন বাড়ানো, বিশেষায়িত রাসায়নিক উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সমন্বয় এবং উচ্চমূল্যের পরবর্তী ধাপের পণ্য উৎপাদন।
এতে প্লাস্টিক, বস্ত্র, প্যাকেজিং, গাড়ির যন্ত্রাংশ ও ভোগ্যপণ্য শিল্পের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক ও কাঁচামাল উৎপাদন বাড়বে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানিতে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। নির্মাণকাজ, উৎপাদন ও সংশ্লিষ্ট শিল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
ভারতের জ্বালানি খাতে কী পরিবর্তন আনবে প্রকল্পগুলো
এই সাতটি বড় প্রকল্পে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৬ লাখ ৮০ হাজার কোটি রুপি। আগামী দিনে এসব প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ কোটি টনের বেশি অতিরিক্ত তেল পরিশোধন ও পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি ও রাসায়নিক পণ্যের আমদানির প্রয়োজন কমবে। নির্মাণ, উৎপাদন ও পরিবহন খাতে লাখ লাখ মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে তেল পরিশোধন, পেট্রোকেমিক্যাল ও জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
সব মিলিয়ে এসব মেগা প্রকল্প জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তেল পরিশোধন সক্ষমতা বাড়ানো এবং পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনে ভারতের বড় বিনিয়োগ পরিকল্পনার অংশ। আগামী কয়েক বছরে প্রকল্পগুলো চালু হলে দেশটির শিল্প, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি খাতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: ট্রেডব্রেইনস
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.