প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৩৪ (রবিবার)
সিলেট সীমান্ত থেকে যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দনা সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে আকুয়া এলাকায় ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পড়ে থাকা কানাইঘাটের খালেদ আহমেদের (২২) মরদেহ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত খালেদ কানাইঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির মিকিরপাড়া এরালীগুল গ্রামের মৃত ফজলু রহমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও জকিগঞ্জ ১৯ বিজিবির মিডিয়া সেলের মাধ্যমে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) খালেদ স্থানীয় কয়েকজন গরু চোরাকারবারির সাথে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। সেখান থেকে গরু নিয়ে আসার সময় ভারতের আকুয়া বস্তির খাসিয়াদের সাথে তাদের বিরোধ দেখা দিলে অস্ত্রধারী খাসিয়ারা ধাওয়া দেয়। এ সময় খালেদ আহমদ নিখোঁজ হয়। তার সাথে থাকে অপর চোরাকারবারিরা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

স্থানীয়রা জানান, ফিরে আসা চোরাকারবারিরা খালেদের পরিবারকে খবর দেয়, ভারতীয় বিএসএফ খালেদকে গুলি করে হত্যা করেছে, তার লাশ দনা সীমান্ত এলাকায় ভারতের অভ্যন্তরে পড়ে রয়েছে।

পরে তার পরিবার ও স্থানীয়রা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, খালেদের লাশ ভারতের আকুয়া এলাকার জঙ্গলে পড়ে রয়েছে।

তবে ভারতীয় বিএসএফ না খাসিয়াদের গুলিতে খালেদ নিহত হয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় অনেকের ধারণা খাসিয়ারাই তাকে গুলি করে হত্যা করতে পারে।

ঘটনাটি স্থানীয় দনা বিজিবি ক্যাম্পকে জানানোর পর উভয় দেশের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গুলিবিদ্ধ খালেদের মরদেহ শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

এ ঘটনায় সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক মো. নাজমুল হক জানান, বৃহস্পতিবার ভারতের অভ্যন্তরে খাসিয়া ও বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের মধ্যে সংঘাত হয়। এ সময় একজন বাংলাদেশী নাগরিক নিখোঁজ হয় বলে সোর্স মাধ্যমে জানা যায়। এ ঘটনা তদন্ত চলছে।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, খালেদ আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, থানা পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠাবে। এ ঘটনায় বিজিবি’র পক্ষ থেকে থানা পুলিশকে কিছুই জানানো হয়নি।