ছবি সংগৃহীত :
বাংলামোটরে গোলাগুলির ঘটনায় যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনের চারদিন ও তার ভাই ওমরসহ অপর তিন আসামির তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে যাওয়া অপর দুই আসামি হলেন-মোর্শেদ ও শাওন।
এদিন তাদের আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাসির।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলা দায়েরের আগে জনতা ঘটনাস্থল থেকে আসামিদের আটক করে গণপিটুনি দিলে তারা আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ দলের সক্রিয় সদস্য। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলার পলাতক আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ, তাদের গ্রেপ্তার এবং মামলার তথ্য সংগ্রহের জন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে সাতদিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।
তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। শুনানি শেষে বিচারক তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পুলিশের অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা হাতিরঝিল থানাসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। বাদী সোহান তাদের এসব অপকর্ম থেকে বিরত থাকতে বলায় পূর্বশত্রুতার জেরে বৃহস্পতিবার আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে বাসায় যাওয়ার সময় হাতিরঝিল থানার বাংলামোটরস্থ ৬২/১ নম্বর বাসা, লাভলী হাউসের সামনে আসামিরা তার পথরোধ করেন।
এ সময় সাইমন তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। বাদী চাঁদা দিতে অসম্মতি জানালে সাইমন তার প্যান্টের পেছনের পকেট থেকে পিস্তল বের করে এর বাট দিয়ে বাদীর মাথার ওপরিভাগে সজোরে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করেন।
রক্তাক্ত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য সোহানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসামিরা মোটরসাইকেলযোগে আবার সেখানে আসেন। এ সময় তারা বাদীকে মারধরের জন্য উদ্যত হন এবং ত্রাস সৃষ্টির জন্য পিস্তল দিয়ে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন।
একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া দিলে তারা পুনরায় দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পালানোর চেষ্টাকালে জনতা তাদের আটক করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিদের হেফাজতে নেয়।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.