ছবি সংগৃহীত :
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন, কারাবন্দী নেতাদের মুক্তি এবং আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে প্রায় ২০ মিনিট মহাসড়কটিতে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার জাজিরা উপজেলার বিকেনগর এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে মিছিলের একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামানের নেতৃত্বে ৫০-৬০জন নেতাকর্মী ব্যানার ও জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মহাসড়কে ঝটিকা মিছিল করছেন। বিক্ষোভকারীরা সড়কের ওপর অবস্থান নিলে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের দুপাশে যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় ২০ মিনিট পর তারা সড়ক থেকে সরে গেলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বিক্ষোভকালে মিছিলকারীরা শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন, দলীয় কারাবন্দীদের মুক্তি এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
ডগ্রি এলাকায় মিছিলের বিষয়ে জানতে চাইলে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, পালং থানা এলাকায় ছাত্রলীগের কোনো মিছিল অনুষ্ঠিত হয়নি। আমাদের পুলিশ সদস্যরা মাঠেই ছিল। পরে তাকে মিছিলের ভিডিও দেখানো হলে তিনি বলেন, জায়গাটি নড়িয়া থানার মধ্যে, ডগ্রি এলাকায়।
এ বিষয়ে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।
অন্যদিকে, জাজিরার তালতলা এলাকায় মিছিলের বিষয়ে জানতে চাইলে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ্ আহাম্মদ ঘটনাটি অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, এ এলাকায় মিছিলের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমি নিজে ওই এলাকায় গিয়ে স্থানীয় অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি ও জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তারা কেউই মিছিলের বিষয়ে কিছু জানেন না। স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই এলাকায় কোনো মিছিল হয়নি।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.