হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৬৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) চুনারুঘাট থানায় মামলাটি করা হয়। মামলাটির বাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুমন মিয়া।
থানা সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি ১৪ আগস্ট চুনারুঘাট থানায় ২৬ নম্বর হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। এতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬(২)-এর (ঙ), (১০) ও (১২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ১৪ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে চুনারুঘাট থানাধীন ১০ নম্বর মিরাশী ইউনিয়নের পূর্ব পাকুরিয়া গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক সরকারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এজাহারে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তারা ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট, দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হত্যার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার পরিকল্পনা করেছেন।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক সরকার, সভাপতি আকবর হোসেন জিতু, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলী, সহসভাপতি মো. রজব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদ আলী, সাইফুল ইসলাম রুবেল ও সজল দাশ; উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, সভাপতি রাসেল মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম রুবেল, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সম্রাট মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুরতুজ সরদার এবং উপজেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবুল।
এছাড়া উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, তাঁতী লীগ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের আরও ৫১ নেতাকর্মীর নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম মামলার এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘এজাহারের ভিত্তিতে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।’
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.