ছবি সংগৃহীত :
আফগানিস্তানে বোমা হামলায় একটি প্রাদেশিক রাজধানীর মেয়র নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) হাসপাতাল ও পৌরসভা সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নিহত মেয়রের নাম হাবিব-উর-রহমান মনসুর। তিনি বাদাখশান প্রদেশের রাজধানী ফায়জাবাদের মেয়র ছিলেন।
হাসপাতালের এক নার্স জানান, মেয়রকে বহনকারী গাড়িতে বোমা হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে পরে নিহত হন। নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই নার্স এএফপিকে এ তথ্য জানান। ফায়জাবাদ পৌরসভার এক কর্মীও জানান, তাদের কর্মস্থলের কাছে পেতে রাখা বোমার বিস্ফোরণে মেয়র নিহত হয়েছেন।
ফায়জাবাদ পৌরসভার এক কর্মীও জানান, তাদের কর্মস্থলের কাছে পেতে রাখা বোমার বিস্ফোরণে মেয়র নিহত হয়েছেন।
তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি।
মেয়র মনসুর হত্যার মাত্র তিন সপ্তাহ আগে একই প্রদেশে আরেক সরকারি কর্মকর্তা গুলিতে নিহত হন। বাদাখশানের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান জাবিহুল্লাহ আমিরি ফায়জাদাদে যাওয়ার পথে গুলিতে নিহত হন।
আফগানিস্তানে সক্রিয় সন্ত্রাসীগোষ্ঠী দায়েশ-খোরাসান ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিলো।
দুর্গম বাদাখশান তালেবান শাসনামলে আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ আহরণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পাঁচ বছর আগে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর প্রদেশটিতে খনন কার্যক্রম আরও বাড়ানো হয়েছে।
তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত মে মাসে আফিমের পপি ক্ষেত ধ্বংস করতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ হয়। এতে দুজন নিহত হন এক কিশোরসহ।
তালেবান কর্তৃপক্ষ আফগানিস্তানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও ২০২১ সালে তারা ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে দেশটিতে বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন হামলা হয়ে আসছে।
এর মধ্যে বেশ কয়েকটি হামলার দায় স্বীকার করেছে দায়েশ-খোরাসান। গত জানুয়ারিতে রাজধানী কাবুলের একটি চীনা রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণে অন্তত সাতজন নিহত হন। ওই হামলার দায়ও গোষ্ঠীটি স্বীকার করেছিলো।
এ ছাড়া ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলায় আফগানিস্তানের শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানি নিহত হন। ওই হামলার দায়ও স্বীকার করেছিলো দায়েশ-খোরাসান।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.