ছবি: সংগৃহীত
সরবরাহ নিয়ে শঙ্কার মধ্যেও বিশ্ববাজারে কমে গেছে তেলের দাম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একদিকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার প্রভাব, অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা কমার আশঙ্কা। এই দুই বিপরীতমুখী চাপের মধ্যে এখন তেলের বাজারের গতি বোঝার চেষ্টা করছেন বিনিয়োগকারীরা।
বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেনের এক পর্যায়ে ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭ দশমিক ৬৬ ডলারে নেমে যেতে দেখা গেছে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআইয়ের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৮২ ডলার। অবশ্য আগের রাতে তেলের দাম কিছুটা বেড়েছিল।
এক ব্যারেলে সাধারণত ১৫৮ দশমিক ৯৮ লিটার তেল থাকে। সে হিসাবে ব্রেন্ট ক্রুডের প্রতি লিটারের দাম এখন প্রায় ০ দশমিক ৫৫ ডলার। এক ডলারে ১২৩ টাকা বিনিময় হার ধরে হিসাব করলে প্রতি লিটার অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের দাম দাঁড়ায় প্রায় ৬৭ টাকা ৮২ পয়সা।
অর্থাৎ বিশ্ববাজারের ব্রেন্ট ক্রুডের বর্তমান দরের ভিত্তিতে এক লিটার অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৬৮ টাকা।
এটি আন্তর্জাতিক বাজারের অপরিশোধিত তেলের দাম থেকে করা হিসাব। বাংলাদেশে পেট্রল, অকটেন, ডিজেল বা কেরোসিনের খুচরা দামের সঙ্গে এই হিসাব এক নয়। কারণ পরিশোধন, পরিবহন, কর, শুল্ক, বিপণন ও অন্যান্য খরচ যোগ হয়ে ভোক্তা পর্যায়ের দাম নির্ধারিত হয়।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.