ছবি সংগৃহীত :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিযান চালিয়ে ২৬৪ কেজি গাঁজাসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চকবস্তা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত দোচালা টিনশেড ঘরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রফতারর রাসেল মিয়া ওরফে মাহিন (২০) উপজেলার বিশারা বাড়ি এলাকার আব্দুর রউফ মিয়ার ছেলে।
র্যাব-৯-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, চকবস্তা এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘরে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী গাঁজা কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। পরে সেখানে অভিযান চালালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় রাসেল মিয়া ওরফে মাহিনকে আটক করা সম্ভব হলেও তার এক সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যান।
জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল তার হেফাজতে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করলে তার দেখানো স্থান থেকে মাটির গর্তে পুঁতে রাখা আটটি পাটের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলোর ভেতরে নীল রঙের পলিথিন ও খাকি রঙের স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় মোট ২৬৪ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়।
ডোবায় ভাসছিল যুবদল নেতার মরদেহ, গলায় দড়ি ও চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন
র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তিনি ও পলাতক সহযোগী পরস্পর যোগসাজশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।
র্যাব জানায়, এ ঘটনায় গ্রেফতার রাসেল মিয়া ও পলাতক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ও জব্দ করা গাঁজা কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, মাদকের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কসবা থেকে ২৬৪ কেজি গাঁজাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রফতার ব্যক্তি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় তার সহযোগী পলাতক রয়েছেন। পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেফতার র্যাবের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.