শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ৪টি ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে ডয়েচে ভেলে একাডেমি ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে তিন দিনব্যাপী মিডিয়া ও তথ্য সাক্ষরতা ( এমআইএল) বিষয়ক বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মৌলভীবাজারের গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ-তে ২৪ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই ‘বুটক্যাম্প ফর ইয়ুথ মেম্বারস অব ইউনিভার্সিটি ক্লাবস অন এমআইএল, ডিজিটাল সেফটি অ্যান্ড কনস্ট্রাকটিভ ডায়ালগ’ শীর্ষক এ কর্মসূচির অনুষ্ঠিত হয়।
এ বুটক্যাম্পে শাবিপ্রবির দিক থিয়েটার, ইয়ুথ ফর পলিসিস, স্পিকার্স ক্লাব ও সঞ্চালনের মোট ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
ডয়েচে ভেলে একাডেমির প্রশিক্ষক নাইমুর রহমানের তত্ত্বাবধানে পাঁচ জন ফেলো কর্মসূচিটি পরিচালনা করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তরুণদের সামনে তথ্য বিভ্রান্তি, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, অনলাইন হয়রানি, গুজব এবং নারীদের বিরুদ্ধে ডক্সিংয়ের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মিডিয়া ও তথ্য সাক্ষরতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং গঠনমূলক সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এই প্রশিক্ষণে।
অংশগ্রহণকারীরা তথ্য যাচাই, দায়িত্বশীল মতামত প্রকাশ এবং গঠনমূলক আলোচনায় অংশগ্রহণের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পান।
প্রকল্পটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জার্মান ফেডারাল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত হয়েছে।
কর্মসূচিতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পলিটিক্যাল ষ্টাডিজের অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন এবং নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কৃষ্ণ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
বুট ক্যাম্পটির সমাপনী দিনে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রশাসন এবং মানব সম্পদ বিভাগের পরিচালক ইফতেখার হোসেন বলেন; “এই প্রকল্প তরুণদের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে। আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় আগামী দিনের পথচলা আরও ফলপ্রসূ হবে।”
এছাড়াও আয়োজকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার জুলিয়েট রোজেটি, কমিউনিকেশন এন্ড ষ্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট অফিসার সাইফুর রহমান, রিসার্স এন্ড ডকুমেন্টেশন স্পেশালিষ্ট সাজ্জাদুল করিম, অর্থ কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার ।
উল্লেখ্য, “Loud and Clear: Empowering Youth Voices 2.0” প্রকল্পটি ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট অঞ্চলে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো তরুণ ও নাগরিক সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.