প্রকাশিত: ২৩ জুলাই, ২০২৬ ১৪:০৩ (শনিবার)
হবিগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ ৭ জন গ্রেফতার

হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সক্রিয় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ সাত ডাকাতকে পৃথক অভিযানে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯। গ্রেফতারদের মধ্যে চক্রের শীর্ষ সদস্য সৈয়দ লাল মিয়ার বিরুদ্ধে ডাকাতি, চুরি, দস্যুতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে র‍্যাব-৯-এর মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‍্যাব জানায়, গত ৬ মে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ইজ্জতনগর এলাকায় আশা এনজিওর মিরপুর শাখা কার্যালয়ে ৫ থেকে ৬ জন মুখোশধারী ডাকাত প্রবেশ করে। তারা অস্ত্রের মুখে কর্মচারীদের জিম্মি করে স্টিলের সিন্দুকে থাকা ৪১ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং কর্মচারীদের কাছ থেকে আরও ৭ হাজার ৯৮০ টাকাসহ মোট ৪৯ হাজার ৫৪৭ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

হবিগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ ৭ জন গ্রেফতার

এ ঘটনায় আশা এনজিওর সিনিয়র ব্রাঞ্চ ম্যানেজার শেখ আহম্মদ আলী বাদী হয়ে বাহুবল মডেল থানায় ডাকাতির মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের চেরাগ আলী ফিলিং স্টেশনের সামনে অভিযান চালিয়ে মামলার পলাতক আসামি সৈয়দ লাল মিয়াকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়। তিনি বাহুবল উপজেলার চন্দ্রছড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

র‍্যাব জানায়, সৈয়দ লাল মিয়ার বিরুদ্ধে হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, চুরি, দস্যুতা ও মাদক সংক্রান্ত মোট ২০টি মামলা রয়েছে।

এর আগে, গত ১৯ জুলাই ভোরে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি টোলপ্লাজা এলাকা থেকে একই ডাকাতি মামলার আরও চার আসামিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৯।

এদিকে, পৃথক আরেক অভিযানে মাধবপুর থানার একটি ডাকাতি মামলার দুই পলাতক আসামিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ১৮ জুলাই বিকেলে শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুর রেলক্রসিং এলাকা থেকে রাসেল মিয়াকে (৩৯) এবং একই রাতে মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে শিপন মিয়াকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়।

রাসেল মিয়ার বাড়ি ঢাকার তুরাগ থানার রোশাদিয়া এলাকায়। আর শিপন মিয়ার বাড়ি মাধবপুর উপজেলার বড় দলিয়া জগদীশপুর গ্রামে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেন র‍্যাব -৯-এর মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানায়, গ্রেফতার সাতজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।